মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ
এনজিও কর্মি থেকে কোটিপতি বনে গেছেন অনলাইন জুয়ার অন্যতম মাষ্টার মাইন্ড মেহেরপুর মোনাখালি গ্রামের কৃষক নজরুলের ছেলে পলাশ। তার বন্ধু পরাগের মাধ্যমে জড়িয়ে পড়ে অনলাইন জুয়ায়। এরপর থেকে তাকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। পলাশের মতো কিছু বিপদগামি যুবকেরা কালো টাকার মালিক হলেও এই অবৈধ জুয়ার কারণে দেশের অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ছে, একই সঙ্গে অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে প্রতিবছর বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে। মেহেরপুর মোনাখালি গ্রামের কৃষক নজরুলের ছেলে পলাশ। কাজ বলতে মানব উন্নয়ন কেন্দ্রে ফিল্ড অফিসারের কাজ করেছেন কিছুদিন। তারপরও তিনি এখন কোটি টাকা খরচ করে বাড়ি করেছেন। চড়েন কোটি টাকার গাড়িতে। এসব টাকার উৎস অনলাইন জুয়া। সম্প্রতি মুকুল আটক হওয়ার পরে তার জবানবন্দিতে অনলাইন জুয়ার মাষ্টার মাইন্ড পলাশের নাম উঠে আসে। পলাশ অনলাইন জুয়ার অন্যতম হোতা লিপু গাজির ডান হাত। সে ৯জন শিক্ষিত তরুণকে বেতন দিয়ে তার তিনটি সাইট পরিচালনা করে। আর সে সবসময় লিপু গাজির হুকুম ফরমাশ শোনে। লিপু গাজী ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর সাতক্ষীরা থেকে গ্রেপ্তার হন। সাতক্ষীরা, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গাসহ একাধিক জেলায় তার বিরুদ্ধে অন্তত অর্ধডজন মামলা রয়েছে। তবে চার-পাঁচ মাসের ব্যবধানে তিনি সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পান। ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, নবাবের মতো তিনিও বিদেশে পাড়ি জমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। লিপু বিদেশে চলে গেলে পলাশ অনলাইন অনলাইন জুয়া চক্রের প্রধান হবেন বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মোনাখালির বাসিন্দা বলেন, নবাব বিদেশ চলে যাবার পরে অনলাইন জুয়ার মুল দায়িত্ব পায় লিপু গাজি। এরপর মোনাখালির পরাগের মাধ্যমে লিপু গাজির সাথে সক্ষতা করে পলাশ । ধুরন্দর পলাশ পরাগকে সরিয়ে লিপু গাজির আস্থাভাজন হয়ে উঠে। তারপর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কোটি টাকা ব্যায়ে বাড়ি করেছেন। বিভিন্ন রকম বিলাশবহুল গাড়িতে চড়েন। আওয়ামি সরকারের সময় আওয়ামি নেতাকর্মীদের বিভিন্ন রকম উপঢোকন দিয়ে খুশি করে তাদের ছত্রছায়ায় থাকতেন। পঠ পরিবর্তনের পর তারা এখন বিএনপি নেতাদেও সাথে সক্ষতা গড়ার চেষ্ঠা করছেন। তাছের আলী বলেন, কালো টাকার প্রভাবে পলাশ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন। এবং তিনি এলাকার অনেক তরুনকে মাদকাসক্তের পথে নিয়ে গেছেন। সে সবসময় কাছে অথবা তার আশপাশের চেলাদেও কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রাখে। এ কারনে গ্রামের কেউ তাকে কোন কিছু বলার সাহস করতে পারেনা। এ বিষয়ে মুঠোফোনে পলাশ বলেন, কৃষকের ছেলে কোটি টাকার মালিক হলে সমস্যা কোথায়। আমি এনজিওতে চাকরি করেছি, আমার বৌ চাকরি করে। ১০/১২ হাজার টাকা বেতনে চাকরি কওে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করা সম্ভব কিনা এ প্রশ্নের তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি ।